চেন্নাই-৩
কলকাতা- ০
৩-০ জিতে সেমিফাইনালে প্রথম লেগে নিজেদের অনেকটাই এগিয়ে রাখল চেন্নাই। শনিবার বালেওয়াড়িতে চেন্নাই জ্বলে উঠেছিল। তারা যখন খেলার জন্য মাঠে নামেন তখন তাদের জার্সির গায়ে দেখা যাচ্ছিল ” প্লে ফর চেন্নাই”। এই বার্তাই তাদের নতুন ভাবে চেনালো। একটা সময় এই দলই সেমিফাইনালে টিকে থাকার জন্য লড়ছিল। আর সেখান থেকেই পরপর ৫ ম্যাচ জিতে নিল মাতরাজ্জির ছেলেরা। যা আর কোন দল করতে পারেনি। বুদ্ধি আর দলগত পারফর্মেন্স কলকাতার রক্ষনভাগকে একেবারে ধরাশায়ী করে দিয়েছে। যার ফল ৩৮, ৫৭, ৬৮ মিনিট।
 চেন্নাইন এফ সি যখন চেন্নাই এর জন্য খেলতে নামছে বোঝাই গিয়েছিল বাড়তি একটা তাগিদ তাদের সঙ্গে থাকবে। আর সেটাই হল। খেলার প্রথম ধাপে বিশ্বমানের পেলিসরির করা গোল চেন্নাইকে এগিয়ে দেয়। তারপর বুদ্ধি কাজে লাগায় মাতরাজ্জির ছেলেরা। তারা জানতেন হাবাসের দলকে আটকাতে গেলে কিছু প্ল্যান ভাবতেই হবে। চেন্নাই জানত কলকাতা গোলের জন্য আক্রমণে আসবেই। আর সেই সুযোগটাই কাজে লাগাল  মেন্ডোজা ও জেজে। কলকাতার আক্রমনে যাওয়ার সময় মাঝমাঠ যে ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে সেদিকে খেয়াল করেনি। ফলস্বরূপ ৩-০ জয় চেন্নাই এর।
কলকাতার কাছে যদিও আর একটা সুযোগ আছে।  তাই হাবাস নিশ্চয় চাইবে দলের ভুল ত্রুটি গুলো শুধরে নিতে। শনিবার হিউম আর দ্যুতিকে কোনমতেই ওপরে উঠতে দেয়নি। একেবারে নজর বন্দি করে রেখেছিল। উইং কিছুটা দুর্বল হয়ে পরেছিল।  পেলেসেরির গোলের সময় হিউম এর থাকার প্রয়োজন ছিল। বড় কথা কলকাতার ব্যাক ফোরের সামনে যে ভাবে ওয়ান টু ওয়ান খেলল চেন্নাই তা আটকানোর দরকার ছিল। আর এই গুলোই হয়ে উঠল বিপক্ষের হাতিয়ার।
তবে ফুটবলে সব হয়। পরের ম্যাচে হাবাসের দল কে কমপক্ষে ৪ টে গোল করতেই হবে। যা তারা করতেই পারে।  দেখার পালা আগের বারের চ্যাম্পিয়নরা তাদের তকমা ছিনিয়ে নিতে পারে কিনা।