কলকাতা -৪
গোয়া- ০
কলকাতার ঘরের মাঠে প্রতিপক্ষকে কোন রকম সুযোগ না দিয়ে ৪-০ নিজেদের এক নম্বরে নিয়ে গেল। কলকাতার দর্শকরা নিশ্চয় খুশি।
প্রথম ১ মিনিট গোয়ার দিক থেকে কিছু আক্রমন আসলেও সময় এর সঙ্গে তা হারিয়ে যায়। খেলার আধিপত্য চলে আসে কলকাতার হাতে। ২২ মিনিটের মাথায় দলের হয়ে প্রথম গোল করেন সামেঘ দুতি। অসাধারণ ছিল এই গোল। গ্যভিলনের পাস থেকে বলটা নিয়ে সময় নষ্ট না করেই  জালে জড়িয়ে দেন বলকে। এরপরেই আসে সেই বিশ্বমানের গোল। সামিঘ দুতির পাস থেকে বোরহার গোল। বলাই যায় ইন্ডিয়ান সুপার লীগ এর অন্যতম সেরা গোল। হাবাস আজ নিশ্চয় খুশি হবেন তার দলের পারফরমেন্সএ। হঠাৎ এ পেনাল্টির সুযোগ আসে হিউমের কাছে। আর সেখানে কোন রকম ভুল করেননি তিনি। একটু দাড়িয়ে কাট্টিমনিকে চিন্তিত করে দিয়ে গোল করেন হিউম। আজ বোধহয় হিউমের সেরা উপহার পেলেন এই স্টেডিয়ামে। গোলের সময় হিউমের বাবা উঠে দাঁড়ান। তারপর খুশিতে হাততালি দেন। একজন ছেলের কাছে এরথেকে বড় উপহার আর কিছু হতে পারেনা। এরপর আবার গোল পান দুতি। আজ কলকাতাকে দলগত ভাবে খেলতে দেখা গেছে। প্রথম দিকে রক্ষন ভাগ কিছুটা নড়বরে লাগলেও সময় যেতেই নিজেদের গুছিয়ে নেয় কলকাতা।
গোয়া আজ কোন ভাবেই ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। রক্ষন ভাগকে পুরোপুরি ভেঙে দেয় কলকাতার আক্রমন। প্রথমে কিছু আক্রমন ডুডুর পা থেকে আসলেও তারপর আর দেখা যায়নি। আত্মতুষ্টি কিছুটা পিছিয়ে দিল দলকে। বলতেই হয় জিকো প্রথম থেকেই আজ রক্ষনাত্বক শুরু করেছিল। এটাই দলের ভুল ছিল। তবে কাট্টিমনি বেশ ভাল। কাট্টিমনি আজ বেশ কিছু নিশ্চিত গোল বাঁচিয়েছেন। নয়ত গোল সংখ্যা বাড়ত।
মাঠে আসা ৫১ হাজার ৪০৭ জন  সাক্ষী থাকলেন এক অসাধারণ মুহূর্তের। এখনও পর্যন্ত গোয়া কলকাতাকে হারাতে পারেনি। যথার্থ ভাবেই আজকের হিরো আব দি ম্যাচ সামেঘ দুতি। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পরিশ্রম করেছেন। গোল করেছেন। আক্রমন করেছেন।  এই ম্যাচের পর ১২ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট পেয়ে কলকাতা উঠে এল লীগ শীর্ষে। আর গোয়া ১১ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে।